fgh
ঢাকাশনিবার , ৯ মে ২০২৬
  • অন্যান্য

মেঘনায় রাস্তা নির্মাণকে কেন্দ্র করে একজনকে কুপিয়ে হত্যা

অনলাইন ডেস্ক
মে ৯, ২০২৬ ৩:৫১ অপরাহ্ণ । ২ জন

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার চন্দনপুর ইউনিয়নের তুলাতুলি গ্রামে রাস্তা নির্মাণকে কেন্দ্র করে দেলোয়ার হোসেন (৩৮) নামের একজনকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

শুক্রবার (৮ মে) রাত সাড়ে ১২টার দিকে নিহত দেলোয়ারের বাড়ির অদূরে রাস্তায় এ ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মেঘনা থানার ওসি শহিদুল ইসলাম।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দেলোয়ারের বড় ভাই আবদুল বাতেনের জমির মাঝ দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করে চন্দনপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. নাছির মেম্বার। এতে জমির মালিক আবদুল বাতেন বলেন, রাস্তা নিতে বাধা নেই। তবে জমির মাঝ দিয়ে না নিয়ে এক পাশ দিয়ে নিতে হবে, এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন নাছির। বিষয়টি স্থানীয়রা মীমাংসা করে দিলেও এতে সন্তুষ্ট নন নাছির। শুক্রবার রাতে দেলোয়ার তার পুরাতন বাড়ি থেকে নতুন বাড়িতে যাচ্ছিলেন।

পথে আগে থেকেই ওঁতপেতে থাকা নাছির মেম্বার ও তার সহযোগীরা দেলোয়ারকে একা পেয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন। দেলোয়ারের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে মেঘনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক আশঙ্কাজনক অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠান। ঢামেকে নেওয়ার পর চিকিৎসক দেলোয়ারকে মৃত ঘোষণা করেন।

চন্দনপুর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি সিরাজুল ইসলা

ম বাবু বলেন, আবদুল বাতেনের জমির মাঝ দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করতে চান নাছির মেম্বার। এতে আবদুল বাতেন বলেন, রাস্তা নিতে আমার বাধা নেই, তবে জমির এক পাশ দিয়ে নিতে হবে। নাছির মেম্বার তা মানতে নারাজ, পরে বিষয়টি আবদুল বাতেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) জানালে এতে নাছির ক্ষিপ্ত হন, পরে আমি বিষয়টি মীমাংসা করে দেই। তারপরও নাছির থামেননি। শেষ পর্যন্ত আবদুল বাতেনের ছোট ভাই দেলোয়ারকে কুপিয়ে হত্যা করল।

ইউএনও মৌসুমী আক্তার বলেন, বাতেন নামে একজন লিখিত অভিযোগ দিয়েছিলেন। প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাকে (পিআইও) ঘটনাস্থলে পাঠালে তিনি বলেন, অভিযোগকারীর জমির ওপর দিয়ে রাস্তা হচ্ছে না।  মেঘনা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আমিনুল ইসলাম বলেন, দেলোয়ারের মৃত্যুর খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে আসছি। এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। তবে লাশ এখনো ঢাকা থেকে আসেনি।