fgh
ঢাকারবিবার , ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  • অন্যান্য

রমজানে ভালো ঘুমের জন্য যা খাবেন

অনলাইন ডেস্ক
ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬ ১১:৩৪ পূর্বাহ্ণ । ৮ জন

রমজান মাসে মানুষের প্রত্যাহিক জীবনে বড় পরিবর্তন আসে। কারণ ইফতার, সাহরি ও তারাবির নামাজ পড়তে হয়। যেগুলো অন্য মাসে করা লাগে না।  খাবার ও ঘুমের সময় বদলে যাওয়ায় অনেকেরই ঘুমের সমস্যা দেখা দেয়তাই সুস্থ থাকতে এ সময়ে সঠিক খাবার নির্বাচন ও পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করা জরুরি।

অনেক সময় রাতের খাবারের পরও হালকা ক্ষুধা অনুভূত হয়। এ সময় ভাজাপোড়া বা ভারী খাবার খেলে যেমন ওজন বাড়তে পারে, তেমনি ঘুমও ব্যাহত হতে পারে। তাই ঘুমের আগে হালকা ও পুষ্টিকর খাবার বেছে নেওয়া ভালো, যা শরীরকে স্বস্তি দেবে এবং ঘুমও ভালো করতে সাহায্য করবে।

ডিম

রাতের খাবারে প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার রাখা উপকারী। ঘুমানোর এক থেকে দুই ঘণ্টা আগে একটি সিদ্ধ ডিম খেলে দীর্ঘ সময় পেট ভরা থাকে। ডিমের উচ্চমানের প্রোটিন শরীরের শক্তি বজায় রাখতে এবং পেশি পুনর্গঠনে সহায়ক। সাধারণত রাতে ডিম খেলে হজমজনিত সমস্যাও কম হয়, ফলে অপ্রয়োজনীয় খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমে।

মরিচ

ডিনারে অল্প ঝাল রাখা যেতে পারে। কাঁচা মরিচ বা সামান্য মরিচের গুঁড়া খাবারের সঙ্গে খেলে শরীরের তাপ উৎপাদন প্রক্রিয়া কিছুটা বাড়ে, যা ক্যালোরি খরচে সহায়তা করতে পারে। এতে বিপাকক্রিয়াও সক্রিয় থাকে। চাইলে হালকা গরম পানিতে সামান্য মরিচ গুঁড়া মিশিয়েও পান করা যেতে পারে।

অ্যাপেল সিডার ভিনেগার

ওজন নিয়ন্ত্রণে অ্যাপেল সিডার ভিনিগার অনেকেই ব্যবহার করেন।এক গ্লাস পানিতে এক টেবিল চামচ অ্যাপেল সিডার ভিনিগার মিশিয়ে ঘুমানোর প্রায় আধা ঘণ্টা আগে পান করলে হজমে উপকার পাওয়া যেতে পারে এবং বিপাকক্রিয়া সক্রিয় হতে পারে। তবে যাদের গ্যাস্ট্রিক বা অ্যাসিডিটির সমস্যা রয়েছে, তাদের সতর্ক থাকা উচিত।

 

ক্যামোমাইল পানীয়

ঘুমের জন্য ভেষজ পানীয় বেশ উপকারী। ক্যামোমাইল চা শরীর ও মনকে শান্ত করতে সাহায্য করে। এতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ইনসুলিন সংবেদনশীলতা উন্নত করতে পারে এবং প্রদাহ কমাতেও ভূমিকা রাখে। ঘুমানোর প্রায় ৩০ মিনিট আগে এক কাপ ক্যামোমাইল চা পান করলে আরামদায়ক ঘুম হতে পারে।

সচেতনভাবে খাবার খেলে রমজানে ভালো ঘুম ও ওজন নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। তাই ভারী খাবারের বদলে হালকা ও পুষ্টিকর খাবার হতে পারে আদর্শ খাবার।