fgh
ঢাকারবিবার , ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
  • অন্যান্য

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ধারালো অস্ত্রধারী ছাত্রলীগের আট নেতা–কর্মী শনাক্ত

অনলাইন ডেস্ক
ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৪ ১:০৭ অপরাহ্ণ । ১৪৫ জন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী খালেদ মাসুদ একসময় ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি রেজাউল হকের ঘনিষ্ঠ হিসেবে ক্যাম্পাসে পরিচিত ছিলেন। সেই সূত্রেই ২০২২ সালের ৩১ জুলাই পূর্ণাঙ্গ কমিটিতেই পান আইন সম্পাদকের পদ। তবে পদ পাওয়ার পর ঘনিষ্ঠ খালেদ মাসুদই রেজাউলকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন।

খালেদ মাসুদ বর্তমানে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি মির্জা খবিরের অনুসারী হিসেবে পরিচিত। মির্জা খবির ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের চুজ ফ্রেন্ডস উইথ কেয়ার (সিএফসি) উপপক্ষের নেতৃত্ব দেন। এ উপপক্ষের বেশির ভাগ সংঘর্ষেই এখন খালেদ মাসুদ থাকেন সামনের সারিতে। প্রতিবারই রামদা হাতে তাঁকে দেখা যায়। সংঘর্ষে জড়ানো ও সাংবাদিককে মারধরের ঘটনায় ইতিমধ্যে দুবার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি বহিষ্কৃত হয়েছেন। একবার ২০২১ সালে ১৮ অক্টোবর, আরেকবার গত বছরের ২২ জুন। তবে দুবারই ‘মানবিক কারণে’ বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহার করে নেয় কর্তৃপক্ষ।দুই দফায় চলা এ সংঘর্ষের সময় অন্তত ৬০ নেতা-কর্মীকে রামদা হাতে দেখা গেছে। এর মধ্যে খালেদ মাসুদ একজন।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘাত ও সংঘর্ষের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে অনুরোধ জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী। রাজনৈতিক ব্যক্তিদের নাম ব্যবহার করে কোনো দায়ী ব্যক্তি যেন রেহাই না পান, সে বিষয়েও সচেতন থাকতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন মন্ত্রী। গতকাল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।

গত বৃহস্পতিবার রাতে ও শুক্রবার বিকেলে দুই দফায় সংঘর্ষে জড়ায় ছাত্রলীগের উপপক্ষ সিক্সটি নাইন ও সিএফসি। এতে পুলিশের ৩ সদস্যসহ আহত হন ২৯ জন। দুই দফায় চলা এ সংঘর্ষের সময় অন্তত ৬০ নেতা-কর্মীকে রামদা হাতে দেখা গেছে। এর মধ্যে খালেদ মাসুদ একজন। তাঁকে গত শুক্রবার বিকেলে সংঘর্ষ চলাকালে শাহ আমানত হলের সামনে রামদা হাতে দেখা যায়। সংঘর্ষের সময় তোলা বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজ, ছবি ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে পরিচয়ের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

জানতে চাইলে খালেদ মাসুদ প্রথম আলোর কাছে দাবি করেন, তিনি সংঘর্ষের সময় হলের ভেতরে ছিলেন। এখন সিনিয়র হয়ে গেছেন। মারামারিতে আসেন না। জুনিয়ররা আসে।