ঢাকাবৃহস্পতিবার , ২ মার্চ ২০২৩
  • অন্যান্য

রপ্তানি আয়ের ক্ষেত্রে ডলারের দাম আরেক দফা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত

অনলাইন ডেস্ক
মার্চ ২, ২০২৩ ৫:১৪ পূর্বাহ্ণ । ৬৮ জন
দাম আরেক দফা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত

রপ্তানি আয়ের ক্ষেত্রে ডলারের দাম আরেক দফা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। দেশের ব্যাংকের শীর্ষ নির্বাহীদের সংগঠন এসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ (এবিবি) ও বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনের সঙ্গে জড়িত ব্যাংকগুলোর সংগঠন বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলারস এসোসিয়েশনে (বাফেদা) এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নতুন এ সিদ্ধান্তের ফলে এখন থেকে রপ্তানিকারকরা প্রতি ডলারের বিপরীতে পাবেন ১০৪ টাকা।

নতুন এ দাম বুধবার (১লা মার্চ) থেকে কার্যকর হয়েছে। এবিবি ও বাফেদা এক বৈঠকে রপ্তানি আয়ে ডলারের নতুন এ দাম নির্ধারণ করে। তবে প্রবাসী আয়ের ক্ষেত্রে ডলারের দাম অপরিবর্তিত (১০৭ টাকা) রাখা হয়েছে। বাফেদা ও এবিবির এ সিদ্ধান্ত সব ব্যাংককে চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছে।

ব্যাংকগুলোতে পাঠানো বাফেদার চিঠিতে বলা হয়, এখন থেকে রপ্তানি আয়ের ক্ষেত্রে রপ্তানিকারকদের জন্য প্রতি ডলারের দাম হবে ১০৪ টাকা। গত ফেব্রুয়ারিতে রপ্তানি আয়ের বিপরীতে ডলারের দাম ১০৩ টাকা নির্ধারণ হয়েছিল। এর আগের মাসে রপ্তানি আয়ে ডলারের দাম ছিল ১০২ টাকা। এবিবি-বাফেদার নতুন সিদ্ধান্তের ফলে রপ্তানিকারকরা আগের তুলনায় আরও বেশি অর্থ পাবেন।
তবে প্রবাসী আয়ের ক্ষেত্রে ডলারের দাম আগের মতো রয়েছে। অর্থাৎ রেমিট্যান্সে প্রতি ডলারে ১০৭ টাকা পাবেন গ্রাহক।

 

এর মাধ্যমে প্রবাসীরা বৈধ পথে বিদেশ থেকে যে ডলার পাঠাবেন তার বিপরীতে প্রতি ডলারের জন্য ১০৭ টাকা করে পাবেন। আর আমদানির দায় পরিশোধের ক্ষেত্রে ডলারের মূল্য হবে প্রবাসী আয় ও রপ্তানি আয়ের জন্য ঠিক করা দামের গড়ের চেয়ে ৫০ পয়সা বেশি।
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর দেশে ডলার সংকট প্রকট আকার ধারণ করে। ডলারের এ সংকট মোকাবিলায় শুরুতে নির্দিষ্ট দাম বেঁধে দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। এর পরও সংকট না কাটায় গত সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশ ব্যাংক ডলারের দাম নির্ধারণের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ায়। ডলারের দাম নির্ধারণের দায়িত্ব দেয়া হয় এবিবি ও বাফেদাকে। এরপর এ দুই সংগঠনের নেতারা ডলারের সর্বোচ্চ দাম নির্ধারণ করে আসছেন।