ঢাকাবুধবার , ৮ মার্চ ২০২৩
  • অন্যান্য

বগুড়ায় রেলের ফুটপাথও দখলদারদের কবলে !

হাসান শাব্বীর
মার্চ ৮, ২০২৩ ৮:৪৯ পূর্বাহ্ণ । ১২৫ জন
বগুড়া শহরের ১ ও ২ নম্বর রেল গেট এবং সংলগ্ন ফুটপাথ দখলদারদের কবলে ।

ট্রেন  যাতায়াতের পথকে রেলপথ বলা হয় । রেললােইনের ওপর দিয়ে ট্রেন যাতায়াত করে ; একই সাথে বাজার, ক্রসিং , শহর এলাকায় জনসাধারণের সমাগম যে এলাকায় থাকে সেখানে থাকে গেটম্যান, ফুটপাথ ।

রেললাইনের  পাশে থাকে  যাতায়াতের  ফুটপাথ । বগুড়া  শহরে বেশ কয়েকটি  রেলগেইট রয়েছে । শহরের মাঝ দিয়ে রেল লাইন যাওয়ায় আছে ফুটপাথ । কিছুদিন আগে সরকারীভাবে নানা ঝুটঝামেলা উপেক্ষা করে রেল লাইনের মাঝে গড়ে ওঠা অবৈধ  “হঠাৎ মার্কেট ’’ উচ্ছেদ করেছে রেল কর্তৃপক্ষ । সীমানা প্রাচীরের মাধ্যমে রেললাইনের দুই পার্শ্বে  অনুপ্রবেশ ঠেকানো  হয়েছে । কিন্তু, সরোজমিনে দেখা যায়  শহরের   ২ নম্বর , ১ নম্বর রেলঘুমটি সহ সেলিম হোটলের সামনের  রেলক্রসিং , কামারগাড়ী রেলক্রসিং , তিনমাথা রেলঘুমটি এলাকায় অনিয়ন্ত্রিত ভাবে যানচলাচল ও সচেতনাতার অভাবে প্রায়শই ঘটছে  ছোটবড় নান দূর্ঘটনা ।

 

ফুটপাথগুলো দখল করে  নিয়েছে দুই পার্শ্বে  গড়ে  ওঠা দোকানীরা । দোকানের  সামনে ক্রেতা দাড়নোর জায়গায় রেখেছে তাদের প্রদর্শনী  মালামাল । সাধারণ পথচরীরা বাধ্য হয়ে দোকানের  সামনের  ফুটপাথ ছেড়ে   চলাচল করছে রেল লাইনের মাঝ দিয়ে । ট্রেন যাতায়াতের সময়ে  পথচারীদের পড়তে  হয়  শঙ্কায়  এইবুঝি ট্রেনের  আঘাত লাগলো । ফুটপাথগুলোর গোটাঅংশেই  অবৈধভাবে দখল করে  নিয়েছেন তারা ।  ২ নম্বর  ও  ১ নম্বর রেলঘুমটির মাঝে  রীতিমতো  বাজার বসে প্রতিদিন । ফুটপাথের ওপরে রয়েছে নানা অবৈধ দখল ।

১ ও ২  নম্বর  রেলঘুমটি এলাকাসহ রেলস্টেশনের পর থেকে চেলোপড়ার শেষ পর্যন্ত নানাপদের  দোকান । রোহা লস্কর, হার্ডওয়্যার , কাঁচের  দোকান, মুরগীর দোকান, ডিমের থরেথরে সাজানো কেস,  সবজি, মাছ, লেপ, তোসক, সেলুন, মাংসের দোকন , দুদী দোকান, খাবারের দোকান, ঝুপড়ি হোটেল  কি  নেই !

রেলপথের চলাচলকে সহজীরেণে সরকারের নানা পদক্ষেপ প্রশংসার দাবী রাখে । দেশের জনসাধারণের  কাছে স্বল্পব্যায়ে  আরামদায়ক ভ্রমণের নাম ট্রেন । বগুড়াবাসীর  নানা সমস্যায় জর্জরিত জীবনে ফুটপাথ সমস্যা  নতুন নয় । প্রধান সড়কগুলোর ফুটপাথ সারাদিনে হাতবদল  হয়  কয়েকদফা । রেললাইনের  পাশের ফুটপাথ অত্যন্ত জরুরী পার্শ্বসড়ক , সংশ্লিষ্ট দপ্তর এই বিষয়টিকে সুনজর দিয়ে রেললাইনের পার্শ্বের ফুটপাথকে দখলমুক্ত  করে সাধারণ পথচারীদের  চলারপথকে সুগম করতে পদক্ষেপ নেবেন বলে বিশ্বাস করেন এসব পথে যাতায়াত কারীরা ।