ঢাকাসোমবার , ২১ আগস্ট ২০২৩
  • অন্যান্য

ঘোষণার পরই পেঁয়াজ কেজিতে বাড়লো ১০-১৫ টাকা

অনলাইন ডেস্ক
আগস্ট ২১, ২০২৩ ১২:০২ অপরাহ্ণ । ৭৫ জন
পেঁয়াজ কেজিতে বাড়লো ১০-১৫ টাকা

রপ্তানিতে ভারত শুল্ক আরোপের ঘোষণার পরই খুলনার বাজারে বেড়েছে পেঁয়াজের দাম। মাত্র এক দিনের ব্যবধানে খুলনার বাজরগুলোতে প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম ১০-১৫ টাকা বেড়েছে। ফলে সাধারণ ভোক্তারা বিড়ম্বনায় পড়েছেন।

সংশ্লিষ্টরা জানান, শুল্ক আরোপের ফলে রাতারাতি দাম বৃদ্ধির কারণ নেই। কারণ এলসি খোলা, আমদানি করা পেঁয়াজ দেশে পৌঁছাতে দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন হয়। মূলত ব্যবসায়ীদের একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কারসাজি করছে। তারা পেঁয়াজের দাম বাড়িয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে।

নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, রবিবার ২০ আগস্ট ভারতীয় পেঁয়াজ ৬৫-৭০ টাকা, দেশি পেঁয়াজ ৯০ টাকা কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে। অথচ একদিন আগে শনিবার ১৯ আগস্ট দেশি পেঁয়াজ ৭৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছে।

আর ভারতীয় পেঁয়াজ ৫৫-৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছিল। অর্থাৎ একদিনে বাজার ও আকার ভেদে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে।

নগরীর ময়লাপোতা সান্ধ্য বাজারের ব্যবসায়ীরা বলেন. আড়তে পেঁয়াজের কোন ঘাটতি নেই। তবুও পেঁয়াজ বেশি দামে কিনতে হয়েছে। ১০ থেকে ১৫ টাকা বেশিতে পেঁয়াজ কিনেছি। ফলে বাড়তি দামেই পেঁয়াজ বিক্রি করতে হচ্ছে।

কারকরা জানান, পেঁয়াজ আমদানিতে বাংলাদেশকে এতোদিন কোনো শুল্ক দিতে হতো না। ১৯ আগস্ট পেঁয়াজ রপ্তানিতে ৪০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেয় ভারত। দেশটির বাজারে পেঁয়াজের দামের নাগাল টানতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানানো হয়। এটি ২০ আগস্ট থেকে কার্যকর হয়ে চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বহাল থাকবে।

সর্বশেষ ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি করতে ৩৮ থেকে ৪৬ টাকা খরচ হতো। শুল্ক আরপের পর প্রতি কেজি পেঁয়াজের আমদানি খরচ ৫৩ থেকে ৬৫ টাকায় পৌঁছাবে।

খুলনার দৌলতপুর বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ভারতীয় পেঁয়াজ কেজি প্রতি ৬০-৬২ টাকা ও দেশি পেঁয়াজ ৮০-৮৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। যা গেল সপ্তাহে ৫০-৫৬ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। নগরীর বয়রা বাজারেও পেঁয়াজ ৬০-৮৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে আসা কতিপয় ক্রেতারা বলছেন, গত কয়েক দিনের তুলনায় পেঁয়াজের দাম বেড়েছে। আমদানি শুল্কের অজুহাতে পাইকারি বাজারে পেঁয়াজ মজুদ হতে পারে। ফলে দাম আবারও বেড়ে যাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

পেঁয়াজের মূল্য বৃদ্ধির বিষয়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. ইব্রাহীম হোসেন বলেন, আমরা শুনেছি। এ বিষয়টি আমাদের নজরদারীতে রয়েছে।