fgh
ঢাকারবিবার , ২৯ মার্চ ২০২৬
  • অন্যান্য
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ফিলিং স্টেশনে ট্যাগ অফিসারদের কর্মপরিধি নির্ধারণ

অনলাইন ডেস্ক
মার্চ ২৯, ২০২৬ ১:৪১ অপরাহ্ণ । ১ জন

বাংলাদেশের জ্বালানি ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম তদারকি, সমন্বয় এবং জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুদ ও কালোবাজারি ঠেকাতে দেশের প্রতিটি ফিলিং স্টেশনে (পেট্রোল পাম্প) ‘ট্যাগ অফিসার’ নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক অনলাইন সভায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। নিচে ট্যাগ অফিসারদের কর্মপরিধি বা দায়িত্বসমূহ দেওয়া হলো-

১. ফিলিং স্টেশনের দৈনিক প্রারম্ভিক মজুদ রেকর্ডভুক্ত করা।

২. ডিপো হতে সরবরাহকৃত জ্বালানি তেল স্ব স্ব ফিলিং স্টেশনে উপস্থিত হয়ে পরিমাপপূর্বক গ্রহণ করা এবং ফিলিং স্টেশনের পে-অর্ডার ও ডিপোর চালান/ রিসিটের সঙ্গে তেলের পরিমাণ মিলিয়ে দেখা।

৩. স্ব স্ব ফিলিং স্টেশনে ডিপ পোড/ডিপ ইস্টিক-এর মাধ্যমে সরবরাহকৃত জ্বালানি তেল বুঝে নেওয়া।

৪. ফিলিং স্টেশনে সংরক্ষিত রেজিস্ট্রারে ডিপো থেকে দৈনিক জ্বালানি তেল গ্রহণের হিসাব লিপিবদ্ধ হয়েছে কি না তা মনিটর করা।

৫. ফিলিং স্টেশনের ডিসপেন্সিং মেশিনের দৈনিক মিটার রিডিং সংক্রান্ত রেজিস্ট্রার পর্যবেক্ষণ করে দৈনিক বিক্রয়ের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা।

৬. দৈনিক বিক্রয় শেষে ফিলিং স্টেশনের সমাপনী মজুদ পর্যালোচনা।

৭. ফিলিং স্টেশনের ডিসপেন্সিং মেশিনের পরিমাপ যথাযথ হচ্ছে কিনা তা নিয়মিত তদারকি করা।

৮. ফিলিং স্টেশন অনুমোদন প্রাপ্তির সময় বিস্ফোরক পরিদপ্তর হতে অনুমোদিত লে-আউট প্ল্যানে পণ্যভিত্তিক মজুদ ক্ষমতার তথ্য এবং বিদ্যমান মজুদ ক্ষমতার তথ্য যাচাই করা।

৯. ফিলিং স্টেশনের আশেপাশে অননুমোদিত কোন ট্যাংক/স্থাপনা আছে কিনা তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা।

১০. ডিপো-থেকে-পাম্প-, পাম্প থেকে-ভোক্তা সরবরাহ ব্যবস্থাকে দৃশ্যমান করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা।

১১. প্রতিটি ডিপো, ট্যাংকার, পাম্প এবং খুচরা বিক্রির তথ্য একত্রে পর্যবেক্ষণ করা এবং প্রতিটি পাম্পে দিনে অন্তত ৩ বার (সকাল, দুপুর, সন্ধ্যা) স্টক আপডেট বাধ্যতামূলক করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা।

১২. ডিপো থেকে জ্বালানি নেওয়ার পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে খুচরা বিক্রি শুরু না করলে তা লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য করতে হবে। উদাহরণস্বরূপ, জ্বালানি গ্রহণের ১ ঘণ্টার মধ্যে বিক্রি শুরু বাধ্যতামূলক করতে হবে। প্রথমবার সতর্কতা, দ্বিতীয়বার মোবাইল কোর্ট, তৃতীয়বার সাময়িক স্থগিতাদেশ ইত্যাদির জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

১৩. পাম্প খোলা আছে কিনা, স্টক রেজিস্টার সঠিক আছে কিনা, ডিসপ্লে বোর্ড আছে কিনা, ক্যাশ মেমো দেওয়া হচ্ছে কিনা, নির্ধারিত সীমা মানা হচ্ছে কিনা, কন্টেইনারে অবৈধ বিক্রি হচ্ছে কিনা, সারি ব্যবস্থাপনা কেমন—এসব বিষয় জিও-ট্যাগ প্রমাণসহ রিপোর্ট করা।