fgh
ঢাকারবিবার , ২৬ এপ্রিল ২০২৬
  • অন্যান্য

মামলায় সাক্ষ্য দেওয়া দ্বন্দ্ব: যুবককে কুপিয়ে হাত-পা বিচ্ছিন্ন

অনলাইন ডেস্ক
এপ্রিল ২৬, ২০২৬ ১১:৪১ পূর্বাহ্ণ । ২ জন

শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার সদর এলাকার ফাযিলখাঁর ডাঙ্গী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহত দুই ভাই মৃত ধলা মুন্সির ছেলে।

স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, হায়দার মুন্সির অবস্থা আশঙ্কাজনক।

পরিবারের অভিযোগ, একই গ্রামের ইসলাম মণ্ডলের ছেলে কালাম মণ্ডলের সঙ্গে হায়দারের দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। প্রায় তিন বছর আগে একটি মামলায় কালামের পক্ষে সাক্ষ্য না দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের সৃষ্টি হয়। সেই ঘটনার জেরে পরিকল্পিতভাবে হায়দারকে ডেকে নিয়ে কালামের নেতৃত্বে ৫-৬ জন ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়।

আহত সুজন মুন্সি বলেন, তিন বছর আগে আমার ভাইয়ের সামনে আমাদের গ্রামের রিপন খাঁ ও কালাম মণ্ডলের মধ্যে একটি মারামারির ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় মামলায় আমার ভাই হায়দার মুন্সি সাক্ষী দেয়ার জন্য আসামির কিছু হয়নি। ওই সময় থেকেই কালামের ক্ষোভ-আমার ভাই সাক্ষী দিল কেন। সেই কারণে আজকের আমার ভাইকে ডেকে নিয়ে যায়। আমি জানতে পেরে দৌঁড়ে গেলে প্রথমে আমাকে রামদা দিয়ে কোপ দেয়। এরপর আমার ভাইকে কোপানো শুরু করে। আমার ভাই দৌঁড়ে একটি বাড়িতে গিয়ে পালালেও সেখান থেকে বের করে কুপিয়ে হাত-পা কেটে ফেলেছে।

রাতে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ট্রমা বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মো. রশিদ জানান, আহতদের মধ্যে হায়দার মুন্সির অবস্থা সংকটাপন্ন। তার দুটি হাত ও একটি পায়ে গুরুতর জখম রয়েছে। তার মধ্যে একটি হাত ও একটি পা পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন বলা যায়। তার প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে দ্রুতই উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে।

চরভদ্রাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, স্থানীয় কালাম নামে এক ব্যক্তির সাথে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এ ঘটনা ঘটেছে। এমন নৃশংস ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যাই এবং জড়িতদের ধরতে অভিযান চলছে। এ ঘটনায় জড়িতকাউকে ছাড় দেয়া হবে না।