যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন গতকাল সোমবার বলেছেন, ফিলিস্তিনের গাজায় আগামী সপ্তাহের শুরুতেই যুদ্ধবিরতি শুরু হতে পারে বলে তিনি আশা করছেন।
ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ক্রমশ ঘনীভূত হতে থাকা মানবিক সংকটের মধ্যে মিসর, কাতার, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য পক্ষের প্রতিনিধিরা ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে সমঝোতার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। চলমান যুদ্ধে সাময়িক বিরতি টানা ও গাজায় অবস্থান করা ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্ত করার কৌশল খুঁজছেন তাঁরা।
যুদ্ধবিরতির এ চুক্তিতে হামাসের হাতে বন্দী কয়েক ডজন জিম্মির মুক্তির বিনিময়ে ইসরায়েলের কারাগারে আটক থাকা কয়েক শ ফিলিস্তিনি বন্দীকেও মুক্তি দেওয়ার বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।নিউইয়র্ক সফরকালে গতকাল বাইডেনের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, গাজায় এমন একটি চুক্তি কবে নাগাদ শুরু হতে পারে? জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা আমাকে বলেছেন, আমরা খুবই কাছাকাছি পৌঁছে গেছি। আমরা কাছাকাছি রয়েছি। তবে আমরা এখনো শেষ করতে পারিনি।’
এ সময় বাইডেন আরও বলেন, ‘আশা করছি, আগামী সোমবারের মধ্যে আমরা যুদ্ধবিরতি শুরু করতে পারব।’
এদিকে গত রোববার হোয়াইট হাউসের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জ্যাক সুলিভান সিএনএনকে বলেন, সপ্তাহান্তে ফ্রান্সের প্যারিসে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষের প্রতিনিধিরা আলোচনায় বসেছিলেন। তবে এতে গাজার প্রশাসক হামাসের কোনো প্রতিনিধি ছিলেন না। অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি শুরুর জন্য একটি জিম্মি মুক্তির চুক্তির মূল বিষয় কেমন হতে পারে, সেসব বিষয়ে একটি বোঝাপড়া হয়েছে।
প্যারিস বৈঠকের পর মিসর, কাতার ও মার্কিন ‘বিশেষজ্ঞরা’ সম্প্রতি কাতারের দোহায় আবারও বৈঠক করেছেন। এ বৈঠকে ইসরায়েল ও হামাসের প্রতিনিধিরাও ছিলেন। এ বিষয়ে মিসরের রাষ্ট্র-সম্পৃক্ত সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, পবিত্র রমজান মাস শুরুর আগেই যুদ্ধবিরতির আশা করা হচ্ছে।
হামাসের একটি সূত্র এএফপিকে বলেছে, বিতর্কিত বিষয়াবলি নিয়ে কিছু সংশোধনীর প্রস্তাব করা হয়েছিল। যদিও ইসরায়েলের পক্ষ থেকে যুদ্ধবিরতির শর্ত ও গাজা উপত্যকা থেকে সেনা প্রত্যাহারের





