পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে চীন, ভারত ও পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূতরা পৃথকভাবে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। নবগঠিত সরকারের অধীনে বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন তাঁরা। রবিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এসব বৈঠকে রাষ্ট্রদূতরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান। তাঁরা সম্প্রতি অনুষ্ঠিত নির্বাচনকে দেশের ইতিহাসের অন্যতম অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হিসেবে বর্ণনা করেন। চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতির প্রতি চীনের দৃঢ় সমর্থন ব্যক্ত করেন। তিনি জানান, দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা বৃদ্ধিতে চীনের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আগ্রহী।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার সর্বাত্মক কৌশলগত সহযোগিতা অংশীদারিত্ব এগিয়ে নেওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসন সহজ করতে চীনের আরও জোরালো সম্পৃক্ততার আহ্বান জানান। রাষ্ট্রদূত চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ড. খলিলুর রহমানকে সুবিধাজনক সময়ে চীন সফরের আমন্ত্রণ জানান।
ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও গভীর করতে বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রস্তুতি ব্যক্ত করেন। ড. খলিলুর রহমান পারস্পরিক স্বার্থ ও জনগণের কল্যাণে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে একটি ভবিষ্যৎমুখী ও ভারসাম্যপূর্ণ অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেন। রাষ্ট্রদূত ভার্মা ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের পক্ষ থেকে ড. খলিলুর রহমানকে শিগগিরই নয়াদিল্লি সফরের আমন্ত্রণ জানান।
পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক সম্প্রসারণে বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করার গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী উভয় দেশের জনগণের কল্যাণে পাকিস্তানের সঙ্গে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র খোঁজার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার সব দেশের জনগণের কল্যাণে আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার করা বাংলাদেশের অগ্রাধিকার। এদিন তিন রাষ্ট্রদূত পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন।





