নতুন সরকারের কার্যক্রম শুরুর পর প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে পরিবর্তনের আলোচনা জোরালো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান দায়িত্ব নেওয়ার পর পুলিশ প্রশাসনের শীর্ষ পদগুলোতে রদবদলের জল্পনা এখন তুঙ্গে।
পুলিশ সূত্র বলছে, বর্তমান আইজিপি বাহারুল আলম স্বেচ্ছায় দায়িত্বে থাকতে অনাগ্রহ প্রকাশ করেছেন। যদিও তার চুক্তিভিত্তিক মেয়াদের এখনো প্রায় নয় মাস বাকি। ২০২৪ সালের ২০ নভেম্বর তিনি দুই বছরের জন্য নিয়োগ পান। এর আগে তিনি র্যাবের মহাপরিচালক ও স্পেশাল ব্রাঞ্চের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
এদিকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশে নেতৃত্ব নিয়েও আলোচনা চলছে। বর্তমান ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাদ আলী পুনরায় একই পদে বহাল থাকতে পারেন বলে সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা রয়েছে। তার চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে আগামী ২১ নভেম্বর।
ডিএমপি কমিশনার পদে আরও যাদের নাম শোনা যাচ্ছে, তারা হলেন সিএমপি কমিশনার হাসিব আজিজ, অতিরিক্ত আইজিপি মোসলেহ উদ্দিন আহমদ এবং র্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ফারুক আহমেদ।
অন্যদিকে নতুন আইজিপি হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি দেলোয়ার হোসেন মিঞা, এপিবিএনের অতিরিক্ত আইজিপি আলী হোসেন ফকির, সিআইডি প্রধান মো. ছিবগাত উল্লাহ এবং র্যাবের মহাপরিচালক এ কে এম শহিদুর রহমান। শহিদুর রহমানের চুক্তির মেয়াদ আগামী ১৫ মার্চ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
এ ছাড়া অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত আইজিপি মতিউর রহমান শেখ এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার সাবেক সমন্বয়ক আনসার উদ্দিন খান পাঠানের নামও আলোচনায় আছে।
পুলিশ প্রশাসনের শীর্ষ দুই পদে পরিবর্তন আসছে কি না, সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নতুন সরকারের প্রেক্ষাপটে বড় ধরনের রদবদল অস্বাভাবিক নয়।





