fgh
ঢাকাসোমবার , ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
  • অন্যান্য

মিয়ানমার থেকে ছোড়া মর্টারশেলের আঘাতে বাংলাদেশে নিহত ২

অনলাইন ডেস্ক
ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৪ ৪:২২ অপরাহ্ণ । ১৩৫ জন

মিয়ানমার থেকে ছোড়া মর্টারশেলের আঘাতে ঘুমধুম সীমান্তের জলপাইতলীতে এক বাংলাদেশি নারী ও রোহিঙ্গা নিহত হয়েছেন। সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে এ ঘটনা ঘটেছে।

জানা গেছে, সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টা ২০ মিনিটে বাদশা মিয়া নামে এক বাসিন্দার ঘরে একটি মর্টারশেল এসে পড়ে। এসময় ঘটনাস্থলেই এক রোহিঙ্গা শ্রমিক নিহত হন। তার পরিচয় পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যান বাদশা মিয়ার স্ত্রী হোসনে আরা বেগম।

ঘুমধুম পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (আইসি) মাহাফুজ ইমতিয়াজ ভুঁইয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকে বলেন, দুপুরে দুইজন নিহত হয়েছে। খবর পেয়ে তিনি ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। নিহত হাসিনা বেগম ঘুমধুম ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড জলপাইতলীর এলাকারা বাদশা মিয়ার স্ত্রী।
ঘুমধুম ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য মো. আনোয়ান হোসেন জানান, দুপুরে ঘরে ভাত খাওয়ার সময় মিয়ানমার সীমান্তের ওপার থেকে মর্টারশেল এসে পড়ে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হয়। এতে ঘটনাস্থলে হাসিনা বেগম ও এক যুবক নিহত হন।
কক্সবাজার ও বান্দরবান সীমান্তে গত বছর থেকে বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির (এএ) সঙ্গে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ও দেশটির সীমান্তরক্ষী বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) লড়াই চলছে। মাঝে কিছুদিন উত্তেজনা কমে এলেও কয়েকদিন ধরে আরো দুই পক্ষের মধ্যে তুমুল লড়াই হচ্ছে। দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির সময় মাঝেমধ্যে মর্টারশেল ও গুলি বাংলাদেশে এসে পড়ছে।
এর আগে ঘুমধুম সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারের রাখাইনে গতকাল রাতভর গোলাগুলি হয়েছে। নির্ঘুম রাত কাটিয়েছেন সীমান্তের মানুষ। তবে আতঙ্কে দিন কাটছে তাদের।
স্থানীয়রা জানায়, গতকাল রবিবার ভোররাত ৩টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত লাগাতার বন্দুক যুদ্ধের পর রাতে প্রায় ৪ ঘণ্টা বিরতির পর আবারো রাত ১১টা থেকে আজ সোমবার ভোর ৫টা পর্যন্ত চলে গোলাগুলি।

তারা বলছেন, রাখাইন থেকে যুদ্ধে প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ডের কাছে আশ্রয় নিয়েছে অনেক বিজিপি সদস্য। আজ সকালে যখন গোলাগুলি বন্ধ হয় সীমান্তের ওপারের ক্যাম্পে সশস্ত্র বেশ কিছু মানুষের আনাগোনা দেখা গেছে।

গতকাল সারাদিন ভয়-আতঙ্ক এবং উত্তেজনা ছিল সীমান্ত এলাকায়। একদিকে অনবরত গোলাগুলির শব্দ। অন্যদিকে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী সদস্যরা প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশ সীমান্তে প্রবেশ করে।