সিরাজগঞ্জে ‘নো ফুয়েল কার্ড, নো অয়েল’ নীতি অবলম্বন করায় জ্বালানী তেল গ্রাহকদর মাঝে ফিরে এসেছে স্বস্থি। কয়েকদিন আগেও যেখানে গাড়ির লাইসেন্স ও ড্রাইভিং লাইসেন্সবিহীন মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহনের পাম্পগুলোতে ব্যাপক ভীড় লক্ষ্য করা যেত। সেখানে এখন দেখা যাচ্ছে বিপরীত চিত্র।
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জেলা সদর ও সকল উপজেলা হতে গাড়ির লাইসেন্স, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও অন্যান্য কাগজপত্র যাচাই-বাছাইয়ের পর দেয়া হচ্ছে কাঙ্খিত ফুয়েল কার্ড। এই কার্ড নিয়েই নির্ধারণ করা জেলার পাম্পগুলো থেকে সুশৃংখলভাবে কার্ডে উল্লেখিত জ্বালানি তেল সংগ্রহ করছে মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন গাড়ির চালক/মালিকেরা। দীর্ঘসময় লাইনে থাকা, ভীড় ঠেলে তেল নিতে না হওয়ায় তাই স্বস্তি প্রকাশ করেছেন গ্রাহকেরা।
তবে চাহিদার বিপরীতে তেলের পরিমাণ বাড়ানোর দাবি তুলে এই পন্থাকে স্বাগত জানিয়েছে পেট্রোল মালিকরা। অপরদিকে গাড়ির সব মালিকরা যে পর্যন্ত এ কার্ডের আওতায় না আসবে সে পর্যন্ত কার্ড প্রক্রিয়াকরণ কাজ অব্যাহত থাকবে জানিয়েছেন সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসন। এদিকে সিরাজগঞ্জের বাঘাবাড়ী অয়েল ডিপো থেকে উত্তর অঞ্চলের ১৬ জেলায় ও ময়মনসিংহ বিভাগের ৪ জেলায় জ্বালানি তেল সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে।
প্রকাশ, সাংবাদিক, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী সহ বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিতদের সরকার নির্ধারিত বিধি মোতাবেক জ্বালানী তেল সরবরাহ করা হচ্ছে।





