ঢাকাবৃহস্পতিবার , ২৩ মে ২০২৪
  • অন্যান্য

১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে আইনি নোটিশ, মিষ্টি  মামলা করছেন 

অনলাইন ডেস্ক:
মে ২৩, ২০২৪ ২:৩৫ অপরাহ্ণ । ২০ জন

১০ বছর ধরে চলচ্চিত্রে কাজ করছেন মিষ্টি জান্নাত। এই সময়ে তাঁর অভিনীত ছবির সংখ্যাও ১০ পেরোয়নি। যে কয়টি ছবিতে অভিনয় করেছেন, কোনোটি দিয়েই তিনি আলোচনায় আসতে পারেননি। কিন্তু কয়েক দিন তিনি তিনি বেশ আলোচনায়। কখনো শাকিব খানের সঙ্গে বিয়ের প্রসঙ্গ টেনে, আবার কখনো অভিনেতা শাহরিয়ার নাজিম জয়ের সঙ্গে চুমু প্রসঙ্গে টেনে। এর মধ্যে আবার আরেক চিত্রনায়িকা তমা মির্জাকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যও করে বসেছেন মিষ্টি জান্নাত। আপত্তিকর মন্তব্য শুনে বসে থাকেননি তমা। আজ বৃহস্পতিবার সকালে মিষ্টির ঠিকানায় পাঠিয়ে দিয়েছেন আইনি নোটিশ।

আইনি নোটিশে পরিষ্কারভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তমার উদ্দেশে মিষ্টির এমন আপত্তিকর মন্তব্যে তাঁর ১০ কোটি টাকার মানহানি হয়েছে।

অভিনেত্রী তমা মির্জা ঈদের দিন সাজবেন এভাবেইপোশাক: সাফিয়া সাথী, সাজ: সিগনেচার লুক বাই সামিয়া, স্থান কৃতজ্ঞতা: বুড়িগঙ্গা রিভার ভিউ রেস্টুরেন্ট, ছবি: কবির হোসেন

আজ বৃহস্পতিবার ডাকযোগে তমা মির্জার পক্ষে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন আইনজীবি সজীব মাহমুদ আলম। আইনি নোটিশে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে থাকা দুটি ভিডিও বক্তব্যের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ‘আপনার বয়ফ্রেন্ডকে বিয়ে করবো না, তমা মির্জাকে খোঁচা দিয়ে মিষ্টি জান্নাত’ এবং ‘ … নায়িকা হয়েছে তমা মীর্জা: জান্নাত’ শীর্ষক শিরোনামে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে মানহানিকর বক্তব্য রয়েছে বলে দাবি করেছেন আইনজীবী।

নোটিশে এও বলা হয়, এ সব বক্তব্যে সাংবাদিক ও দেশের জনগণের কাছে তাঁর (তমা মির্জার) সুনাম নষ্ট হয়েছে। এ ধরণের বক্তব্য তমার চরিত্র ও ব্যক্তিত্বে আঘাত হেনেছে। এটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। উদ্দেশ্যে প্রণোদিতভাবে ডিজিটাল মিডিয়ায় এসব মানহানিকর বক্তব্য হয়রানির উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। এতে ১০ কোটি টাকার মানহানি হয়েছে। তাই নোটিশে সাত দিনের মধ্যে জনসম্মুখে ক্ষমা চেয়ে দশ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে বলা হয়েছে। এছাড়া পরবর্তীতে এ ধরণের মন্তব্য থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। অন্যথায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

আইনি নোটিশ প্রসঙ্গে প্রথম আলোর সঙ্গে কথা হয় তমা মির্জারও। তিনি বললেন, যা বলার এবং যা করার আমার আইনজীবি করছেন। তবে এটুকু বলতে চাই, ছাড় দিতে বেশি বাড় বেড়েছে। এসবে আর ছাড় দেওয়ার কোনো প্রশ্নই আসে না। বিন্দুমাত্র ছাড় পাবে না কেউ।’