ঢাকাসোমবার , ২৮ আগস্ট ২০২৩
  • অন্যান্য

সাবেক ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান চলে গেলেন না ফেরার দেশে

অনলাইন ডেস্ক
আগস্ট ২৮, ২০২৩ ১১:৩৬ পূর্বাহ্ণ । ৯৩ জন
আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান

রোববার রাত পৌনে ১১টার দিকে নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে প্রবীণ এই নেতার মৃত্যু হয়।

ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান আর নেই। তার বয়স হয়েছিল ৮১ বছর।

রোববার রাত পৌনে ১১টার দিকে নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের প্রবীণ এই সদস্যের মৃত্যু হয় বলে দলের ময়মনসিংহ জেলা কমিটির সভাপতি এহতেশামুল আলম জানান।

রাত ১টার দিকে তিনি বলেন, “মতিউর রহমান স্যারের একমাত্র ছেলে মোহিত-উর রহমান শান্ত ঢাকা থেকে আসছেন। তিনি এলে পারিবারিকভাবে অন্যান্য বিষয়াদি জানানো হবে।”

বীর মুক্তিযোদ্ধা মতিউর রহমান দীর্ঘ সময় ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০১৪-১৮ সালে টেকনোক্র্যাট কোটায় ধর্মমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে ১৯৮৬ ও ২০০৮ সালে তিনি ময়মনসিংহ-৪ (সদর) আসন থেকে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

ছাত্রজীবন থেকেই মতিউর রহমান ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরে রাজনীতির পাশাপাশি তিনি দীর্ঘ সময় নগরীর আলমগীর মনসুর মেমোরিয়াল কলেজের (মিন্টু কলেজ) অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

মতিউর রহমান ১৯৪২ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি শহরের পাশে আকুয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও দুই মেয়ে রেখে গেছেন। ছেলে শান্ত ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

অধ্যক্ষ মতিউর রহমানের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে দল, বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা নগরীর ধোপাখলা এলাকার নেক্সাস হাসপাতালের সামনে জড়ো হতে থাকেন। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নেতাকর্মীদের জমায়েতও বড় হতে থাকে। তাদের মধ্যে শোক বিরাজ করছে।

সেখানে উপস্থিত জেলা আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোস্তাফিজুর বাশার ভাসানী রাতে  বলেন, এখানে সবাই এসেছেন। উপজেলা থেকেও নেতারা আসছেন। বৃহত্তর ময়মনসিংহ জুড়েই স্যারের রাজনৈতিক অনুসারী ও ছাত্র-ছাত্রীরা রয়েছেন। পরিবারের সঙ্গে কথা বলেই স্যারের বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, “স্যারের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের একটি অধ্যায়ের সমাপ্তি হতে চলেছে। এটা আওয়ামী লীগের জন্য বড় ধরনের ক্ষতি, শূন্যতা।”

জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি এহতেশামুল আলম বলেন, “অধ্যক্ষ মতিউর রহমান স্যারের মৃত্যুতে আমরা শোকাহত। দলের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। তার মতো এমন সংগঠক বিরল। স্যারের আদর্শকে লালন করে ময়মনসিংহের রাজনীতিতে ভূমিকা রাখার চেষ্টা করবে আওয়ামী লীগ।”