ঢাকারবিবার , ৭ মে ২০২৩
  • অন্যান্য

শ্বশুরের ভয়ে নিজের বিয়ের কথা গোপন করেন রোশান

অনলাইন ডেস্ক
মে ৭, ২০২৩ ১১:১৭ পূর্বাহ্ণ । ৭৫ জন
ছবি: সংগৃহীত

প্রায় তিন বছর আগে বিয়ে করেছেন ঢাকাই সিনেমার চিত্রনায়ক জিয়াউল রোশান। স্ত্রী তাহসিনা এশাকে নিয়ে ঘুরে বেড়িয়েছেনও। বিয়ের খবরটি জানতেন তার খুব কাছের বন্ধুরা। আরও জানতেন তার আত্মীয়স্বজনের মধ্যে কেউ কেউ। জানতেন না শুধু তার শ্বশুর।

কীভাবে শ্বশুরকে জানানো যায়, তা ভাবতে ভাবতে আড়াই বছর পার। সম্প্রতি তা জানানো হয়। রাগ না করে শ্বশুরও তার জামাতাকে সানন্দে বরণ করেছেন। পরিবার ও আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে জামাতাকে আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচয় করিয়ে দিতে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, শুক্রবার রাতে ঢাকা সেনানীবাসসংলগ্ন বালুঘাট এলাকায় এশাদের বাসায় দুই পরিবারের কাছের কয়েকজনকে নিয়ে মেহেদি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। শনিবার দুই পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে তাদের বিবাহোত্তর সংবর্ধনা অনুষ্ঠান হয়েছে।

রোশান জানান, তার এক বন্ধুর উত্তরার বাসায় কাজী ডেকে বিয়ের কাজটি সেরে নেন তারা। ২০২০ সালের ১১ জুন তারা বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সারেন।

এতদিন পর বিয়ের খবর প্রকাশ্যে আনা প্রসঙ্গে রোশান বললেন, ‘আমার ওয়াইফও চাচ্ছিল না হুট করে বিয়ের বিষয়টি জানাতে। কারণ এতে কী ধরনের রিঅ্যাকশন হয়, সেটিও একটা ব্যাপার ছিল। এশার বাবা সম্প্রতি আমাদের বিয়ের খবর জানতে পেরেছেন, খুব খুশিও হয়েছেন। পাত্র হিসেবে আমাকে পছন্দও করেছেন। তিনি এ–ও জানতেন, আমার সঙ্গেই ওর বিয়ে হবে। বিয়ে হয়ে গেছে শুনে তিনিও স্বাভাবিকভাবে বিষয়টা গ্রহণ করেছেন। আমাকে ভীষণ স্নেহ করছেন।’

২০২০ সালে বিয়ের কাজটি সেরে নিলেও এতদিন জানাননি রোশান। দুই পরিবারের সবার সম্মতি পেয়ে শনিবার দুপুরে বিয়ের খবরটি প্রকাশ্যে আনেন পাত্র নিজেই। জানালেন তার স্ত্রী তাহসিনা এশা ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী।

রোশান বললেন, ‘আমরা এমনিতে ঘুরতে যেতাম। কাজের ফাঁকে সময়–সুযোগ পেলে নিজেদের মতো করে বেড়াতাম। ওদের আত্মীয়স্বজনও বুঝতে পেরেছিলেন, এশা আমাকেই বিয়ে করবে। কিন্তু এটা বুঝতে পারেননি, আমরা আগেই বিয়ে করে ফেলেছি। চার বছর আগে এশাও তার সিদ্ধান্ত সবাইকে জানিয়ে বলেছিল, আমাকেই সে বিয়ে করবে। এখন বিয়ের খবরটি সবাই স্বাভাবিকভাবে নেওয়াতে আমার জন্য আশীর্বাদ হয়েছে বলে মনে করছি। সবাই জানাজানি হওয়াতে সম্প্রতি আমার শ্বশুর সিদ্ধান্ত নেন দুই পরিবারকে আনুষ্ঠানিকভাবে এক করে দেওয়ার। তাই বিবাহোত্তর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।