ঢাকাবৃহস্পতিবার , ২৫ এপ্রিল ২০২৪
  • অন্যান্য

মুসলমানদের বিরুদ্ধে কেন হঠাৎ আক্রমণ শুরু করলেন মোদি

অনলাইন ডেস্ক
এপ্রিল ২৫, ২০২৪ ৫:১৪ অপরাহ্ণ । ২৩ জন

ভারতের লোকসভা নির্বাচনে সাত ধাপে ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। এবারের নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও তাঁর দল বিজেপির প্রচার কৌশল, মুসলিম বিদ্বেষ এবং ভোটারদের বিভাজনসহ নানা বিষয়ে আল-জাজিরায় ২৪ এপ্রিল বিশ্লেষণমূলক লেখাটি লিখেছেন অপূর্বানন্দ। তিনি ভারতের দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের হিন্দির শিক্ষক। সেই সঙ্গে তিনি সাহিত্য-সংস্কৃতি নিয়ে সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ লেখেন।

ভারতে এবারের লোকসভা নির্বাচনে সাত দফায় ভোট গ্রহণ হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও তাঁর দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) হিন্দুদের স্বার্থ রক্ষার ত্রাণকর্তা হিসেবে নির্বাচনে লড়ার কৌশল বেছে নিয়েছেন। এটা স্পষ্ট করা হয়েছে, হিন্দুদের স্বার্থের সুরক্ষা মানে মুসলমানদের কাছ থেকে তাঁদের সুরক্ষিত রাখা।

মোদি ও বিজেপির মতে, মুসলমানদের সঙ্গে মিলে সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দুদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে বিরোধী দল কংগ্রেস। এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো হিন্দুদের সম্পদ ও অধিকার কেড়ে নিয়ে মুসলমানদের হাতে তুলে দেওয়া। এ জন্য ভারতীয় ভূখণ্ডে হিন্দুরা বিপদের মুখে রয়েছেন।

নরেন্দ্র মোদি গত রোববার রাজস্থান রাজ্যে একটি নির্বাচনী সমাবেশে বলেছিলেন, ‘যদি বিরোধীরা ক্ষমতায় আসে, তাহলে তারা হিন্দুদের সম্পত্তি কেড়ে নেবে। যাঁদের বেশি সন্তান রয়েছে, তাঁদের সেই সম্পত্তি দিয়ে দেবে।’ স্পষ্টতই মুসলিমদের প্রতি ইঙ্গিত করে এ মন্তব্য করেন মোদি। তিনি মুসলমানদের ভারতীয় ভূখণ্ডে ‘অনুপ্রবেশকারী’ বলেও অভিহিত করেন।

প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্য ভারতে অনেকের মনে ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। মোদির মন্তব্যকে ‘ঘৃণা ছড়ানো বক্তব্য’ হিসেবে উল্লেখ করে ভারতজুড়ে অনেক নাগরিক ও অধিকার সংগঠন তাঁর (মোদির) বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে নির্বাচন কমিশনে চিঠি দিয়ে আবেদন জানিয়েছে।

অধিকার সংগঠন পিপলস ইউনিয়ন অব সিভিল লিবার্টিজ বলছে, প্রকাশ্যে সাম্প্রদায়িক উসকানি দেওয়ার জন্য নরেন্দ্র মোদিকে নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করতে হবে।