ঢাকামঙ্গলবার , ১৪ মার্চ ২০২৩
  • অন্যান্য

বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে কোনো ধরনের সংলাপ হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
মার্চ ১৪, ২০২৩ ১:০০ অপরাহ্ণ । ৭৬ জন
ছবি : সংগৃহীত

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আন্দোলনরত বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে কোনো ধরনের সংলাপ হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী  ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, গত নির্বাচনে সংলাপ করেছি, রেজাল্টটা কী? নির্বাচনটাকে প্রশ্নবিদ্ধ ছাড়া কিছুই করেনি। ৩০০ আসনে ৭০০ নমিনেশন দিয়ে টাকা খেয়েছে। এরপর নিজেরা সরে গিয়ে নির্বাচনটাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। এরপরও তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছি শুধু দেশের স্বার্থে। কিন্তু তারা একের পর এক অপমান করে গেল। এত অপমানের পরও তাদের সঙ্গে কি বৈঠক? এদিকে নির্বাচন নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলের চাপ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এমন কোনো চাপ নেই- যা শেখ হাসিনাকে দিতে পারে। কারণ, আমার শক্তি একমাত্র আমার জনগণ আর উপরে আল্লাহ। আমার মাথায় আছে বাবার হাত, কে কি চাপ দিলো, এতে আমাদের কিছু আসে যায় না। জনগণের স্বার্থে যেটা করার সেটাই করবো।

অন্যদিকে জনগণ যাতে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারে, সেজন্যই সরকার নির্বাচন কমিশনকে ‘স্বাধীন করে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনে কী পরিমাণ কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার করা হবে, সে সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনই নেবে। কাতারে এলডিসিভুক্ত দেশগুলোর সম্মেলনে যোগ দেয়ার অভিজ্ঞতা জানাতে গতকাল প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন  গণভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে এসে সমসাময়িক নানা বিষয়ে প্রশ্নের উত্তর দেন সরকার প্রধান।

 

এমন কোনো চাপ নেই- যা শেখ হাসিনাকে দিতে পারে: আসছে নির্বাচনে আন্তর্জাতিক মহল থেকে কোনো ধরনের চাপ আসছে কিনা?- এমন প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এমন কোনো চাপ নেই- যা শেখ হাসিনাকে দিতে পারে। কারণ, আমার শক্তি একমাত্র আমার জনগণ আর উপরে আল্লাহ। আমার মাথায় আছে বাবার হাত, কে কি চাপ দিলো, এতে আমাদের কিছু আসে যায় না। জনগণের স্বার্থে যেটা করার সেটাই করবো। তিনি বলেন, এমন অনেক চাপইতো ছিল। দেশ-বিদেশ থেকে এত টেলিফোন, একজন লোককে একটি ব্যাংকের এমডি করে রাখতে হবে। কারণ এমডি হিসেবে থাকলে মানিলন্ডারিং করা যায়। গরিবের রক্ত চুষে খাওয়া যায়, এ কারণে। সে চাপও তো পার করে আসলাম। তারপর পদ্মা সেতু বানিয়ে দেখালাম। ওই চাপে আমাদের কিছু আসে যায় না।

তিনি বলেন, তার ৭০ বছর বয়স হয়েছে। ৭০ বছর বয়সে তাকে কীভাবে একটি ব্যাংকের এমডি করে রাখা হবে? এর আগে অপর এক প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমি কি উত্তর দেবো জানি না। তবে আমার একটি প্রশ্ন আছে। তিনি একজন নোবেল বিজয়ী মানুষ। তার জন্য এই ৪০ জনের নাম খয়রাত করে এনে বিজ্ঞাপন দিতে হবে কেন? তা-ও আবার বিদেশি পত্রিকায়। এই যে প্রজ্ঞাপন, প্রজ্ঞাপন কেন দিতে হলো? আমাদের দেশের একটি আইন আছে। সেই আইন অনুযায়ী সব চলবে এবং সব চলে। শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের বিচার বিভাগ সম্পূর্ণ স্বাধীন। আমরা শ্রমিকদের অধিকার সংরক্ষণ করি। তারা ট্যাক্স ঠিকমতো দেয়, সেটা আলাদা বিভাগ আছে। ট্যাক্স আদায় করে। কেউ যদি এখন এ সমস্ত বিষয়ে কোনো রকম আইন ভঙ্গ করে বা শ্রমিকদের কোনো অধিকার কেড়ে নেয়, শ্রম আদালত আছে- সেটা দেখে। এই বিষয়ে আমারতো কোনো কিছু করার নেই- সরকার প্রধান হিসেবে। সেইখানে আমাকেই কেন বলা হলো। এর বাইরে আমি আর কি বলবো?
তাদের সঙ্গে কিসের বৈঠক? প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ১৫ই আগস্ট আমার বাবা-মাকে হত্যা করা হয়েছে। গ্রেনেড হামলা, বোমা হামলা করে আমাকেও হত্যার চেষ্টা করা হয়। এরপরও তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছি শুধু দেশের স্বার্থে। কিন্তু তারা একের পর এক অপমান করে গেল। এত অপমানের পরও তাদের সঙ্গে কিসের বৈঠক? তিনি বলেন, গত নির্বাচনে সংলাপ করেছি, রেজাল্টটা কি? নির্বাচনটাকে প্রশ্নবিদ্ধ ছাড়া কিছুই করেনি। ‘১৫ই আগস্ট আমার বাবা-মায়ের হত্যাকারী; গ্রেনেড হামলা, বোমা হামলা করে আমাকে হত্যার চেষ্টা; তারপরও তাদের সঙ্গে বসেছি শুধু দেশের স্বার্থে।

শুধু তা-ই নয়, খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে মারা গেল, আমি গেলাম দেখতে। একজন সন্তানহারা মাকে সহানুভূতি জানাতে। আমাকে কীভাবে অপমানটা করলো, আমার গাড়ি ওই বাড়ির মধ্যে ঢুকতে দিলো না, বড় গেট বন্ধ; টেলিফোন করে সময় নেয়া হয়েছিল। আমি এ সময় আসবো, তারা কী করলো, বড় গেট বন্ধ করে দিলো। পরে ছোট গেটে গেলাম, আমার গাড়ি যাওয়ার পর সেটাও বন্ধ করে দিলো। এত অপমানের পর তাদের সঙ্গে কিসের বৈঠক? শেখ হাসিনা বলেন, আমার পরিষ্কার কথা, যারা এতটুকু ভদ্রতা জানে না তাদের সঙ্গে বৈঠকের কী আছে? কেউ পারবেন বাবা-মায়ের হত্যাকারীদের সঙ্গে এভাবে বসে বৈঠক করতে? যেটুকু সহ্য করেছি দেশের স্বার্থে, জনগণের স্বার্থে, নিজের স্বার্থে না। খালেদা জিয়ার ভাই এসে, বোন এসে আমার কাছে আকুতি করলো। এরপর আমি তার সাজাটা স্থগিত করে বাসায় থাকা, চিকিৎসার ব্যবস্থা করে দিয়েছি। এটুকু যে করেছি সেটাই যথেষ্ট। এত অপমানের পর তারা যে সহানুভূতি পেয়েছে, সেটা শুধু আমার কারণে। বিএনপির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শ্যাডো সরকার কে করবে। যে দলের দুই নেতাই সাজাপ্রাপ্ত আসামি। বিএনপি তো তার নিজের গঠনতন্ত্র নিজেই ভঙ্গ করেছে। গঠনতন্ত্রে সাজাপ্রাপ্ত আসামি নেতা হতে পারবে না। কিন্তু তাদের দুই নেতাই সাজাপ্রাপ্ত। তিনি বলেন, বগুড়ায় আজ খোঁজ নিলাম। সেখানেও গ্রামের মানুষ আমার দল করে না, তারাও বলছে দেশ ভালো চলছে। গ্রামের সাধারণ মানুষের আকাক্সক্ষা এই সরকারই থাকা উচিত। এখন জনগণ দিলে আছি না দিলে নাই।

নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীন করে দিয়েছি:
জনগণ যাতে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারে, সেজন্যই সরকার নির্বাচন কমিশনকে ‘স্বাধীন করে দিয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনে কী পরিমাণ কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার করা হবে, সে সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনই নেবে।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা থাকলে যে উন্নয়ন হয়, সেটা আমরা প্রমাণ করেছি। কারণ এটার জন্য অনেক ধৈর্য্যরে দরকার। অনেকে গালমন্দ, অনেক কিছুতো শুনতে হয়। প্রতিনিয়ত সমালোচনা শুনে যাচ্ছি। আর আমরাই সুযোগ করে দিয়েছি। কারণ, বাংলাদেশেতো এত টেলিভিশনও ছিল না, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পরে আমরা সব উন্মুক্ত করে দিয়েছি। তাই সকলের সুবিধাও আছে কথা বলার। অবশ্য ডিজিটাল বাংলাদেশ করেছি, দেশ-বিদেশে থেকেও আমাদের সমালোচনা করে, সুযোগ পাচ্ছে। আমাদের করে দেয়া জিনিস দিয়ে সুযোগ পেয়ে সমালোচনা করে আবার এই কথাও শুনতে হয়, কিছুই করি নাই।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এই নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য অনেক আন্তর্জাতিক ও দেশীয় এজেন্সি উন্মুখ হয়ে আছে। ৪০ জনের নামে (ওয়াশিংটন পোস্টের বিজ্ঞাপন) যেটা এসেছে, ওটার পেছনেও কিছু অ্যাম্বিশন আছে। এতে কোনো সন্দেহ নেই। যাদের ইচ্ছা, তারা জনগণের কাছে যাবে। নির্বাচন যাতে অবাধ-সুষ্ঠু হয়, তার জন্য নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সংশোধনী বা সংস্কার আনা হয়েছে। সাম্প্রতিক উপনির্বাচন এবং স্থানীয় সরকারের নির্বাচনের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, ‘মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিতে পেরেছে। তারা নির্বিঘ্নে ভোট দিয়ে গেছে। এই ভোটগুলো নিয়ে তো কেউ একটা কথাও বলতে পারেনি। সরকারে থাকলেও যে নির্বাচন সবসময় নির্বিঘ্ন হতে পারে, শান্তিপূর্ণ হতে পারে, অবাধ নিরপেক্ষ হতে পারে সেটা তো আমরা প্রমাণ করেছি। আর কী প্রমাণ করতে হবে, সেটাই আমার প্রশ্ন। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, ‘জনগণের ভোটের অধিকার নিয়ে আমরা সংগ্রাম করেছি। আমরা জনগণের ভোটের অধিকার জনগণের হাতে ফিরিয়ে দিয়েছি। এখন জনগণের এটা হচ্ছে দায়িত্ব।’

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন অনেক পোড় খাওয়া মানুষ:
এদিকে সংবাদ সম্মেলনে মো. সাহাবুদ্দিন বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার কারণ জানালেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন অনেক পোড় খাওয়া মানুষ, দেশপ্রেমী ও রাজনৈতিক সচেতন ব্যক্তি হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, আমরা যে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করেছি তিনি কিন্তু অনেক পোড় খাওয়া মানুষ এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা। এমনকি ৭৫-এর পর জিয়াউর রহমান তাকে গ্রেপ্তার করে ডা-াবেড়ি দিয়ে রেখেছিলেন। কারণ তিনি বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদ করেছিলেন। এ ধরনের ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্য থেকে তিনি উঠে এসেছেন। কখনই খুব বেশি একটা নামধাম প্রচার করতে চাননি, যানওনি। জুডিশিয়াল সার্ভিসের চাকরি করেছেন। শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি’র আমলে বাধ্য হয়ে তাকে (সাহাবুদ্দিন) চাকরি ছাড়তে হয়েছে। তার মাঝে দায়িত্ববোধ যেটা, দেশপ্রেম যেটা সব থেকে প্রয়োজন তা আছে। আছে রাজনৈতিক সচেতনতা। সবচেয়ে বড় কথা মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে দেশপ্রেম, রাজনৈতিক সচেতনা আছে। সেই ব্যক্তিত্ব আছে। কাজেই তারও সব সময় সেই প্রচেষ্টাই থাকবে, নির্বাচন যেন অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু হয়। সেটাই চাইবো। আমরা তো আইয়ুব, ইয়াহিয়া, জিয়া, এরশাদের সামরিক সরকার, আর্মি ব্যাক সরকার, আর্মির স্ত্রীর সরকার দেখেছি। ২০০৯ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত এটা বলতে পারেন, জনগণের ক্ষমতা জনগণের হাতে দিয়েছি।

রাজনৈতিক অভিলাষ নিয়ে আমাদের ছেলেমেয়েরা কাজ করে না:
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে গত ৭ই মার্চ ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান বঙ্গবন্ধুর ছোট মেয়ে শেখ রেহানার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি। সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে এ প্রসঙ্গেও কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ফুল দিতে গেছে পরিবারের পক্ষ থেকে। কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য কিংবা আকাক্সক্ষা নিয়ে যায়নি। শেখ রেহানা আমার ছোট বোন। আমাদের পাঁচ ছেলেমেয়ে। তারা কিন্তু আপনাদের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। আজ স্টার্টআপ প্রোগ্রাম, ইয়াং বাংলা, সিআরআই’র মতো গবেষণা প্রতিষ্ঠানসহ যত রকমের কাজ আছে তারা করে যাচ্ছে দেশের স্বার্থে। তিনি বলেন, আজ ডিজিটাল বাংলাদেশ আমরা উপভোগ করছি। সেখানে তাদের সবারই কিন্তু কিছু না কিছু অবদান আছে। তারা কিন্তু দেশের মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু ওই রকম কোনো রাজনৈতিক আকাক্সক্ষা নিয়ে কাজ করেনি। এখন পর্যন্ত তাদের দলেরও সদস্য করা হয়নি। তারা দলের কাজের মধ্যেও আসে না। তারা রাজনৈতিক অভিলাষ নিয়ে কাজ করে না। জনগণের স্বার্থে করে, দেশের স্বার্থে করে।

রমজানে দ্রব্যমূল্যের কষ্ট লাঘবে যথাযথ ব্যবস্থা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, রমজানে দ্রব্যমূল্য নিয়ে মানুষের যেন কষ্ট না হয় সেজন্য সরকার যথাযথ ব্যবস্থা নিয়েছে। আমরা এখন আর পরনির্ভরশীল নই। আমরা নিজেরাই এখন উৎপাদন করছি। আমাদের পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত আছে। আশা করি রমজানে কোনো অসুবিধা হবে না। তবে কেউ খাদ্যপণ্য মজুত করে পচিয়ে ফেললে আমাদের তো কিছু করার থাকবে না। সেদিকে সাংবাদিকদেরও একটু নজর রাখতে হবে। দ্রব্যমূল্য নিয়ে তিনি বলেন, ‘খাদ্যদ্রব্য নিয়ে সমস্যাটা হচ্ছে, দাম বেশি কমালে উৎপাদকদের লোকসান হবে। আবার দাম বেশি বাড়ালে ভোক্তাদের কষ্ট হয়। এ জায়গায় সবসময় ব্যালেন্স করতে হয়। তিনি আরও বলেন, আমরা বিরোধী দলে থাকার সময়ও বসে থাকিনি। তখন আমরা ভবিষ্যতের কর্মপরিকল্পনা ঠিক করতে কাজ করেছি।
স্বল্পোন্নত দেশগুলো করুণা চায় না

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, স্বল্পোন্নত দেশগুলো করুণা বা দাক্ষিণ্য চায় না। বরং আন্তর্জাতিক প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী তাদের ন্যায্য পাওনা চায়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সফরে কোভিড অতিমারি ও চলমান ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট বিশ্বব্যাপী খাদ্য, জ্বালানি ও আর্থিক সংকটের পরিপ্রেক্ষিতে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য নেয়া বিভিন্ন আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছি।