ঢাকাসোমবার , ৩ জুন ২০২৪
  • অন্যান্য

পিকে হালদারের মায়ের মৃত্যুর ৬ দিনেও হয়নি শেষকৃত্য

অনলাইন ডেস্ক
জুন ৩, ২০২৪ ৪:১০ অপরাহ্ণ । ১২ জন

বাংলাদেশের চারটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে দশ বছরে প্রতারণা করে ১১ হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া আলোচিত সেই পিকে হালদার ওরফে প্রশান্ত কুমার হালদারের মা লীলাবতী হালদার মারা গেছেন। গত ২৮ মে কলকাতায় তার মৃত্যু হয়। তবে মৃত্যুর ৬ দিন পার হয়ে গেলেও ২ ছেলে জেলে থাকায় এখনও তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়নি।

বার্ধক্যজনিত কারণে ২০২৩ সালের ২১ আগস্ট থেকে কলকাতার বাইপাসের পাশে অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন লীলাবতী হালদার। গত ২৮ মে সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে মাল্টিঅর্গ্যান ফেলিওরের কারণে মারা যান তিনি।

লীলাবতী হালদারের ২ ছেলে পিকে হালদার এবং প্রাণেশ হালদার অর্থপাচার মামলায় কলকাতায় কারাবন্দি। আন্তর্জাতিক অপরাধের সঙ্গে যুক্ত থাকায় মায়ের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার জন্যও তাদের প্যারোল মঞ্জুর করেনি জেল কর্তৃপক্ষ। এর ফলে মারা যাওয়ার পর থেকে লীলাবতী হালদারের মরদেহ কলকাতার পিস ওয়ার্ল্ডে সংরক্ষিত রয়েছে।

লীলাবতী হালদারের আরেক ছেলে পৃথ্বীশ হালদার বর্তমানে বাংলাদশ ও ভারত থেকে পালিয়ে কানাডায় আশ্রয় নিয়েছে। এদিকে গ্রীষ্মকালীন ছুটির কারণে বেশ কয়েকদিন বন্ধ ছিল আদালত। সোমবার আদালত খুলতেই ব্যাংকশাল আদালতের স্পেশাল ইডি কোর্টে জামিন আবেদন করেন প্রশান্ত ও প্রাণেশ হালদার। এদিন মায়ের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার জন্য পিকে হালদার ও প্রাণেশ হালদারের ১৫ দিনের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন আবেদন করেন আইনজীবী বিশ্বজিৎ মান্না।

এদিকে জামিনের বিরোধিতা করে ৪ দিনের প্যারোলের দাবি জানান ইডির আইনজীবী অরিজিৎ চক্রবর্তী। একইরকম আর্থিক দুর্নীতিতে অভিযুক্ত কলকাতা টিভির মালিক কৌস্তভ রায়ের মামলার রেফারেন্স টেনে অরিজিৎ চক্রবর্তী বলেন, খুব বেশি হলে তাদের ৪ দিনের প্যারোল দেওয়া যেতে পারে।

দুই পক্ষের যুক্তি-পাল্টা যুক্তিতে বিচারক প্রসন্ন মুখোপাধ্যায় কোনো সিদ্ধান্তে আসতে পারেননি। আগামীকাল মঙ্গলবার ফের তাদের জামিন শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।