ঢাকাসোমবার , ৭ আগস্ট ২০২৩
  • অন্যান্য

কারাগারে ইমরানের সঙ্গী বিছানা ফ্যান ও টয়লেট, নেই এসি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আগস্ট ৭, ২০২৩ ৪:০১ অপরাহ্ণ । ১০০ জন
অ্যাটক জেলা কারাগার

ক্ষমতায় থাকাকালে প্রাপ্ত উপহার রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা না দেওয়া সংক্রান্ত তোশাখানা মামলায় তিন বছরের জন্য দণ্ডিত হয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। শনিবার (৫ আগস্ট) মামলার রায় ঘোষণার পর পরই তাকে গ্রেফতার করে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ বা পিটিআই প্রধান ইমরান খানকে বর্তমানে পাঞ্জাবের অ্যাটক কারাগারে রাখা হয়েছে। দেশটির সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, পাকিস্তানে সবচেয়ে কুখ্যাত কারাগার হিসেবে পরিচিত এটি। তা ছাড়া সাবেক কোনো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ইমরান খানকেই প্রথম সেখানে রাখা হয়েছে।

ওই কারাগারের একজন কর্মকর্তা ডন নিউজকে বলেন, ইমরান খানকে রাখা হয়েছে একটি ভিভিআইপি সেলে। সেখানে কোনো শীতাতপ নিয়ন্ত্রণের (এসি) ব্যবস্থা নেই। শুধু আছে একটি ফ্যান, একটি বিছানা ও একটি টয়লেট। এ নিয়ে পাকিস্তানের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যমটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

খবরে বলা হয়েছে, ক্ষমতায় থাকাকালে বিদেশ সফরের সময় যেসব উপহার পেয়েছিলেন ইমরান খান, তা কেনাবেচা নিয়ে দুর্নীতির মামলায় গত শনিবার ইসলামাবাদের এক আদালত তাকে তিন বছরের জেল দেওয়ার পর পরই লাহোরের জামান পার্কের বাসভবন থেকে ইমরানকে গ্রেফতার করা হয়। একই দিন সন্ধ্যায় তাকে অ্যাটক জেলা কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। কারাগারটি রাওয়ালপিন্ডি-পেশোয়ার রেলপথের পাশেই পাঞ্জাব শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এর আগে ১৯৯৯ সালে পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফকে অ্যাটক দুর্গে বন্দি রাখা হয়েছিল। পরে তাকে সৌদি আরবে নির্বাসনে পাঠানো হয়। তবে অ্যাটক দুর্গ ও অ্যাটক কারাগার আলাদা স্থানে অবস্থিত। একটি থেকে অন্যটির দূরত্ব প্রায় ২০ কিলোমিটার।

জানা যায়, অ্যাটক দুর্গ নির্মাণ করা হয় ১৫৮১ থেকে ১৫৮৩ সাল পর্যন্ত মোগল সম্রাট আকবরের শাসনামলে। ১৯০৫ থেকে ১৯০৬ সালে ব্রিটিশ সরকার অ্যাটক কারাগার নির্মাণ করে। কারাগারটি ৬৭ একর জমির ওপর নির্মিত। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বিদ্রোহে জড়িত ব্যক্তিদের আটক করে রাখার জন্য অ্যাটক কারাগারটিকে ব্যবহার করতেন ব্রিটিশ শাসকরা।

পরে এটিকে পাকিস্তানের একটি উচ্চ নিরাপত্তার কারাগার হিসেবে গণ্য করা হয়। সাধারণত বিপজ্জনক বন্দিদের রাখা হয় এখানে।