বুধবার (৭ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জিয়া উদ্যানে অবস্থিত সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার কবরে তিনি নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এ সময় প্রয়াত নেতাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে আবুল হোসেন খান বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন জাতীয় ঐক্যের প্রতীক। একজন গৃহিণী থেকে রাষ্ট্রনায়কে পরিণত হয়ে তিনি দেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করতে সক্ষম হয়েছিলেন। আপসহীন নেতৃত্বের মাধ্যমে তিনি মানুষের হৃদয়ে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন গণতন্ত্রের অঙ্গীকারে অবিচল, জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষায় নিরলস সংগ্রামী এক রাষ্ট্রনায়ক। তাঁর নেতৃত্বে দেশে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয় এবং শিক্ষা খাতে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি সাধিত হয়। কঠোর দেশপ্রেম ও নৈতিক দৃঢ়তার কারণে নিপীড়ন ও বাধার মুখেও তিনি কখনো আপস করেননি। তিনি সারাবিশ্বের গণতন্ত্রপ্রিয় মানুষের কণ্ঠস্বর ছিলেন। শারীরিকভাবে তিনি আমাদের মাঝে না থাকলেও, তিনি মানুষের হৃদয়ে চিরকাল বেঁচে থাকবেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বরিশাল বাকেরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক হারুন অর রশিদ শিকদার, ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এ্যাব) এর কেন্দ্রীয় সদস্য প্রকৌশলী একেএম আসাদুজ্জামান খান চুন্নু, জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট কামরুজ্জামান নান্নু, বাকেরগঞ্জ উপজেলা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য প্রিন্সিপাল মশিউর রহমান মাসুদ, পৌর বিএনপির সহসভাপতি কামরুল ইসলাম রাজিব, দাড়িয়াল ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক ইশতিয়াক আহম্মেদ মাসুদ, ভরপাশা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শামিম খান, কবাই ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি কামরুল হাসান রুবেল।
বাংলাদেশ ভ্রমণ
এছাড়াও জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান রঞ্জু, সহ দপ্তর সম্পাদক ওসমান গনি, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আলমগীর হোসেন শাহীন, ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক ওমর সানীসহ বরিশাল-৬ আসনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী এবং ঢাকাস্থ বাকেরগঞ্জের সর্বস্তরের জনগণ উপস্থিত ছিলেন।





