fgh
ঢাকাবুধবার , ৭ জানুয়ারি ২০২৬
  • অন্যান্য

কোন শক্তিই দেশকে বিরাজনীতি করণ করতে পারবে না

অনলাইন ডেস্ক
জানুয়ারি ৭, ২০২৬ ২:৫৮ অপরাহ্ণ । ৯১ জন

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, কোন শক্তি বা পরাশক্তিই দেশকে বিরাজনীতি করণ করতে পারবে না।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার স্বরণে শোক সভা ও দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. আব্দুল মঈন খান বলেন, বাংলাদেশের মানুষের রক্তে রয়েছে রাজনীতি। তাদের রক্ত রয়েছে গণতন্ত্র। কাজেই বাংলাদেশকে কোন শক্তি পরাশক্তি বিরাজনীতি করণ করতে পারবে এটা আমি বিশ্বাস করি না।

তিনি বলেন, ২০০৮ সালে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেটি ছিল একটি সাজানো নির্বাচন। দেশি-বিদেশি বিভিন্ন শক্তির সমন্বয়ে এই নির্বাচনটি আয়োজন করা হয়। সেখানে এমন একটি শক্তি কাজ করেছিল। তারা বাংলাদেশকে বিরাজনীতিকিকরণ করতে চেয়েছিল। কিন্তু তারা সফল হয়নি।

বিএনপির এই নীতিনির্ধারক বলেন, বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বার বার প্রমাণ করেছেন তিনি সত্যিকারের প্রধানমন্ত্রী, দেশের জনগণের প্রধানমন্ত্রী। তিনি জীবনে যে কয়েকবার নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছেন প্রত্যেকবার প্রতিটি আসন থেকে তিনি জয়ী হয়েছেন। বাংলাদেশে গণতন্ত্রের ধারক এবং বাহক হিসেবে তিনি ছিলেন সর্বশ্রেষ্ঠ। কিন্তু যারা তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে। যারা দেশে গণতন্ত্রের নামে স্বৈরতন্ত্র কায়েম করেছিল। যারা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি বলে নিজেদের দাবি করেও মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও নীতির বিরুদ্ধে কাজ করেছিল। তাদের শোচনীয় পরাজয় হয়েছে।

বাংলাদেশের গ্রামীণ উন্নয়নের একমাত্র মূল নায়িকা ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া উল্লেখ করে সাবেক এই পরিকল্পনা মন্ত্রী বলেন, আজকে বেগম খালেদা জিয়া আমাদের মাঝে নেই। এদেশে তিনি পার্লামেন্টারি গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছিলেন। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেশের উন্নয়নের যে ধারাবাহিকতা সৃষ্টি করেছিলেন সেই ধারাবাহিকতা তিনি ধরে রেখেছিলেন। তিনি শুধু দেশের ধনী শ্রেণীর মানুষের কথা ভাবেননি। দেশের দরিদ্র মানুষের কথা চিন্তা করেছেন। তার যে উন্নয়নের পরিকল্পনা ছিল। সেই উন্নয়ন কিন্তু কেবল শহরকেন্দ্রিক পরিকল্পনা ছিল না। তার উন্নয়নের পরিকল্পনা ছিল গ্রামভিত্তিক উন্নয়নের পরিকল্পনা।

ড. মঈন খান আরো বলেন, বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের স্থানীয় পর্যায়ে রাস্তা-ঘাট, স্কুল-কলেজ, মসজিদ-মাদ্রাসা এটি বেগম খালেদা জিয়ার ১৯৯১ থেকে১৯৯৬ এবং পরবর্তীতে ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের উন্নয়নের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় রচনা করেছেন। গ্রামীণ উন্নয়নের একমাত্র মূল নায়িকা ছিলেন খালেদা জিয়া। তিনি বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের জীবন যাত্রার মান উন্নয়নের জন্য বাংলাদেশের উন্নয়ন রাজধানী থেকে গ্রামের গঞ্জে পৌঁছে দিয়েছিলেন।

আমরা বিশ্বাস করি তারই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ গণতন্ত্র রক্ষা ও উন্নয়নে তারই সন্তান তারেক রহমান বিএনপি’র নেতৃত্বে বাংলাদেশকে বিশ্বের মাঝে একটি উন্নত ও সম্মানজনক জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবে তাহলেও মন্তব্য করেন বিএনপি’র এই নীতিনির্ধারক।

জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট আয়োজিত এই দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের প্রধান সমন্বয় ও জাগপার সভাপতি খন্দকার লুৎফর রহমান, বাংলাদেশ সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম, ন্যাশনাল পিপুলস পার্টির (এনপিপির) মহাসচিব মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা, জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের মুখপাত্র এস এম শাহাদাত প্রমুখ।