ঢাকাশনিবার , ৮ এপ্রিল ২০২৩
  • অন্যান্য

২০২৩ সালটা বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য খুবই ভালো যাবে:সাকিব

অনলাইন ডেস্ক
এপ্রিল ৮, ২০২৩ ১১:২৭ পূর্বাহ্ণ । ৬০ জন
ছবি: সংগৃহীত

সাকিব আল হাসান বরাবরই স্পষ্টভাষী। কে কী ভাবলো, সেটা ভাবার চেয়ে তিনি কী ভাবলেন, তাতেই গুরুত্ব দেন বেশি। তাই সাকিবের কথায় অনেক সময় অনেকে রুষ্ট হন, মাতেন সমালোচনায়। কিন্তু সাকিব বদলাননি, তার ধরনটাই যে এমন!

গেল বছর ভারতের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ শেষে সংবাদ সম্মেলনে সাকিব আল হাসান জানিয়েছিলেন, ২০২৩ সালটা বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য খুবই ভালো যাবে। সাকিবের কথা ঠিকই ফলতে শুরু করেছে। চলতি বছর টাইগাররা খুবই ভালো শুরু করেছে, যদিও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কেবল হেরেছে ওয়ানডে সিরিজ। তবে আজ শুক্রবার সেই কথা আবারো মনে করিয়ে দিলেন সাকিব।

আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট জয়ের পর সাকিব যেমন অকপটে বলে দিলেন, ‘আমি তো আগেই বলছিলাম ২০২৩ সাল আমাদের খুব ভালো যাবে।’

বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার যোগ করেন, ‘যেহেতু গুরুত্বপূর্ণ বছর। বিশ্বকাপ আছে, এশিয়া কাপ আছে। অবশ্যই চাইবো পরের ছয় মাস যেন ভালোভাবে খেলতে পারি। প্রথম ছয় মাসের চার মাস খুব ভালো গেছে। অর্ধেক বছর আমরা ভালো করেছি। আশা করি ভালোই হবে। যেহেতু আমরা বেশিরভাগ ম্যাচ ওয়ানডে খেলবো। আমরা মনে করি এটা এমন এক ফরম্যাট, যেটায় আমরা ভালো দল।’

আইরিশরা মিরপুর টেস্টের তৃতীয় দিন প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল। সারাদিনে মাত্র ৪টি উইকেট ফেলতে পারে বাংলাদেশ। আইরিশরা যোগ করেন ২৫৯ রান।

তৃতীয় দিন শেষে আয়ারল্যান্ড এগিয়ে ছিল ১৩১ রানে। হাতে ২ উইকেট। আইরিশ ব্যাটার লরকান টাকার তো দাবি করেছিলেন, বাংলাদেশই বিপদে। তাদের জয়ের ভালো সুযোগ আছে।

কিন্তু চতুর্থ দিনে সেই সুযোগ দেয়নি বাংলাদেশ। আইরিশদের আর মাত্র ৬ রান যোগ করতে দিয়ে দুটি উইকেট তুলে নেন পেসার এবাদত হোসেন। বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৩৮ রানের। ৩ উইকেট হারিয়েই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় স্বাগতিকরা।

একটা সময় হারের দুশ্চিন্তা ছিল কিনা, এমন প্রশ্নেও সাকিবের নির্লিপ্ত উত্তর, ‘হারের শঙ্কা ছিল না। টেস্টে যেটা হয়, অনেক সময় থাকে কামব্যাক করার। ওয়ানডেতে একটু কম, টি-টোয়েন্টিতে খুবই কম। কখনোই কারো মাথায় ওরকম চিন্তা আসেনি। গতকাল আয়ারল্যান্ড ভালো খেলেছে এটা তাদের দিকে ভালো দিক। ওরা অনেক ফাইট শো করেছে, প্রথম দিকে আমরা হয়তো প্রত্যাশা করিনি। কিন্তু ওরা সংস্কৃতির দিক থেকেই ফাইটারও। ওটাই দেখিয়েছে।’

সাকিব মনে করেন, মানসিকতা বেশ বদলেছে দলের। এমনকি এটা যদি গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময়ও বদলাতো, তবে দল সেমিফাইনাল খেলতে পারতো, দাবি সাকিবের।

সাকিব বলেন, ‘মেন্টালি উন্নতিটা আমার মনে হয় সবথেকে বড় উন্নতি। আপনি যদি দেখেন, যখন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শেষ ম্যাচ খেলেছি, তখনই আমরা আলোচনা করেছি যে আসলে আমরা হয়তো এই বিশ্বকাপের আগে অবধি নিজেদের অনেক ছোট দল মনে করতাম। আসলে আমরা ছোট দল ছিলাম না। আমরা যদি হয়তো বিশ্বাস রেখে যেতাম, হয়তো সেমিফাইনাল খেলতাম। ওই জায়গাটাতে আমাদের ল্যাকিংস ছিল, এরপর থেকে আমাদের চিন্তা ছিল ওই জায়গায় বদলটা আনবো। বিশেষত টি-টোয়েন্টি দলে যারা ছিল তাদের ভেতরে মানসিক এই পরিবর্তন সবার ভেতর আছে।’